✍️বিকল্প ভিত্তিক প্রশ্নগুলির উত্তর দাও(প্রশ্নের মান-১):
🔷 1. জীবের সাড়া প্রদানের ক্ষমতাই হল—
(ক) উপযোগন (খ) উদ্দীপক (গ) সংবেদনশীলতা (ঘ) আত্তীকরণ।
✔ উত্তর: (গ) সংবেদনশীলতা।
🔷 2. পরিবেশের যেসব পরিবর্তন শনাক্ত হয় এবং সাড়া প্রদানে সাহায্য করে, তাদের বলে—
(ক) শক্তি (খ) বল (গ) উদ্দীপক (ঘ) অভিযোজন।
✔ উত্তর: (গ) উদ্দীপক।
🔷 3. উদ্দীপক হল এক ধরনের—
(ক) সংবেদন (খ) প্রত্যক্ষ (গ) সাড়া (ঘ) শক্তি।
✔ উত্তর: (ঘ) শক্তি।
🔷 4. সংবেদনশীলতা দেখা যায়—
(ক) কেবল প্রাণীতে (খ) কেবল উদ্ভিদে (গ) প্রাণী এবং উদ্ভিদ উভয়েই (ঘ) এদের কোনোটিতেই নয়।
✔ উত্তর: (গ) প্রাণী এবং উদ্ভিদ উভয়েই।
🔷 5. টারগার বা রসস্ফীতিজনিত চাপের পরিবর্তন ঘটে—
(ক) আলোর তীব্রতার পরিবর্তনে (খ) অভিকর্ষে (গ) স্পর্শে (ঘ) সকল ক্ষেত্রেই।
✔ উত্তর: (গ) স্পর্শে।
🔷 6. একটি জানালা দিয়ে ঘরে রোদ এসে ইনডোর প্ল্যান্টে পড়েছে, ফলে গাছে ফুল ফুটেছে। এক্ষেত্রে ফুল ফোটাকে বলা যায়—
(ক) উদ্দীপক গ্রহণ (খ) সাড়া প্রদান (গ) পরিবেশগত পরিবর্তন (ঘ) উদ্দীপনা।
✔ উত্তর: (খ) সাড়া প্রদান।
🔷 7. উদ্ভিদের সাড়া পরিমাপক যন্ত্রটি হল—
(ক) ক্রেসকোগ্রাফ (খ) আর্কমিটার (গ) সিসমোগ্রাফ (ঘ) হাইগ্রোমিটার।
✔ উত্তর: (ক) ক্রেসকোগ্রাফ।
🔷 8. জগদীশ চন্দ্র বসু ব্যবহৃত উদ্ভিদের চলন পরিমাপক যন্ত্রটির নাম—
(ক) সিসমোগ্রাফ (খ) থার্মোগ্রাফ (গ) ক্রেসকোগ্রাফ (ঘ) সেন্টিগ্রাফ।
✔ উত্তর: (গ) ক্রেসকোগ্রাফ।
🔷 9. বনচাঁড়ালের পত্রপত্রে দেখা যায়—
(ক) জিওট্রপিক চলন (খ) ফোটোন্যাস্টিক চলন (গ) প্রকরণ চলন (ঘ) সিসমোন্যাস্টিক চলন।
✔ উত্তর: (খ) ফোটোন্যাস্টিক চলন।
🔷 10. ‘ইন্ডিয়ান টেলিগ্রাফ’ নামে পরিচিত—
(ক) লজ্জাবতী (খ) মটর (গ) কুমারিকা (ঘ) বনচাঁড়াল।
✔ উত্তর: (ক) লজ্জাবতী।
🔷 11. বহিস্থ উদ্দীপক দ্বারা নিয়ন্ত্রিত উদ্ভিদের সামগ্রিক চলন বা গমনকে বলে—
(ক) প্রকরণ চলন (খ) ন্যাস্টিক চলন (গ) ট্রপিক চলন (ঘ) ট্যাকটিক চলন।
✔ উত্তর: (ঘ) ট্যাকটিক চলন।
🔷 12. নীচের কোন জীবটিতে গমন লক্ষ করা যায়?
(ক) প্যারামেসিয়াম (খ) ইউগ্লিনা (গ) ক্ল্যামাইডোমোনাস (ঘ) স্পঞ্জ।
✔ উত্তর: (গ) ক্ল্যামাইডোমোনাস।
🔷 13. ফোটোট্যাকটিক চলনের উদাহরণ হল—
(ক) ভলভক্স (খ) মসের শুক্রাণু (গ) পাতাশ্যাওলা (ঘ) সূর্যমুখী।
✔ উত্তর: (ক) ভলভক্স।
🔷 14. সূর্যোদয়ের পর ক্ল্যামাইডোমোনাস জলের তলদেশ থেকে ওপরে উঠে আসে—এটি কোন চলন?
(ক) ফোটোট্রপিক (খ) ফোটোন্যাস্টিক (গ) থার্মোন্যাস্টিক (ঘ) ফোটোট্যাকটিক।
✔ উত্তর: (ঘ) ফোটোট্যাকটিক।
🔷 15. ম্যালিক অ্যাসিডের প্রভাবে ফার্নগাছের শুক্রাণু ডিম্বাণুর দিকে ধাবিত হয়—এটি হল—
(ক) কেমোট্রপিক চলন (খ) কেমোন্যাস্টিক চলন (গ) কেমোট্যাকটিক চলন (ঘ) ফোটোট্যাকটিক চলন।
✔ উত্তর: (গ) কেমোট্যাকটিক চলন।
🔷 16. ট্রপিক চলন সম্পর্কে সঠিক বক্তব্যটি হল—
(ক) উদ্দীপকের তীব্রতা দ্বারা নিয়ন্ত্রিত
(খ) উদ্ভিদ বা উদ্ভিদ-অঙ্গের সামগ্রিক স্থান পরিবর্তন
(গ) ভলভক্সে দেখা যায়
(ঘ) উদ্দীপকের গতিপথ দ্বারা নিয়ন্ত্রিত আবিষ্ট বক্র চলন।
✔ উত্তর: (ঘ) উদ্দীপকের গতিপথ দ্বারা নিয়ন্ত্রিত আবিষ্ট বক্র চলন।
🔷 17. উদ্ভিদের কাণ্ড আলোর দিকে যায়—এটি কোন চলন?
(ক) ফোটোন্যাস্টিক (খ) ফোটোট্রপিক চলন (গ) স্বতঃস্ফূর্ত চলন (ঘ) ফোটোট্যাকটিক চলন।
✔ উত্তর: (খ) ফোটোট্রপিক চলন।
🔷 18. সূর্যালোক দ্বারা প্রভাবিত ট্রপিক চলনকে বলে—
(ক) হাইড্রোট্রপিক চলন (খ) কেমোট্রপিক চলন (গ) জিওট্রপিক চলন (ঘ) ফোটোট্রপিক চলন।
✔ উত্তর: (ঘ) ফোটোট্রপিক চলন।
🔷 19. কোন প্রকার চলনকে হেলিওট্রপিক চলন বলে?
(ক) ফোটোট্রপিক ও জিওট্রপিক (খ) কেমোট্রপিক (গ) থিগমোট্রপিক (ঘ) হাইড্রোট্রপিক।
✔ উত্তর: (ক) ফোটোট্রপিক ও জিওট্রপিক।
🔷 20. অভিকর্ষের গতিপথ অনুসারে নিয়ন্ত্রিত উদ্ভিদ-অঙ্গের চলনকে বলে—
(ক) হাইড্রোট্রপিক চলন (খ) জিওট্রপিক চলন (গ) ফোটোট্রপিক চলন (ঘ) কেমোট্রপিক চলন।
✔ উত্তর: (খ) জিওট্রপিক চলন।
🔷 21. উদ্ভিদ কাণ্ডের আলোর দিকে বৃদ্ধি হল—
(ক) ফোটোট্রপিক চলন (খ) হাইড্রোট্রপিক চলন (গ) জিওট্রপিক চলন (ঘ) কেমোট্রপিক চলন।
✔ উত্তর: (ক) ফোটোট্রপিক চলন।
🔷 22. উদ্দীপকের তীব্রতা দ্বারা নিয়ন্ত্রিত চলনকে বলে—
(ক) ট্রপিক চলন (খ) ট্যাকটিক চলন (গ) ন্যাস্টিক চলন (ঘ) কেমোট্যাক্সিস।
✔ উত্তর: (গ) ন্যাস্টিক চলন।
🔷 23. আলোর তীব্রতায় সংঘটিত উদ্ভিদের আবিষ্ট বক্রচলন হল—
(ক) ফোটোট্যাকটিক (খ) ফোটোট্রপিক (গ) ফোটোন্যাস্টিক (ঘ) কোনোটিই নয়।
✔ উত্তর: (গ) ফোটোন্যাস্টিক।
🔷 24. পদ্ম ও সূর্যমুখীর প্রস্ফুটনে যে চলন দেখা যায়—
(ক) কেমোন্যাস্টিক (খ) ফোটোন্যাস্টিক (গ) সিসমোন্যাস্টিক (ঘ) থার্মোন্যাস্টিক।
✔ উত্তর: (খ) ফোটোন্যাস্টিক।
🔷 25. সূর্যশিশির উদ্ভিদের পাতার কর্ষিকাগতি পতঙ্গের স্পর্শে যে চলন দেখা যায়—
(ক) সিসমোন্যাস্টিক (খ) থার্মোন্যাস্টিক (গ) ফোটোন্যাস্টিক (ঘ) কেমোন্যাস্টিক।
✔ উত্তর: (ক) সিসমোন্যাস্টিক।
🔷 26. লজ্জাবতীকে স্পর্শ করলে পাতার পত্রক মুড়ে যাওয়াকে বলে—
(ক) নিকটিন্যাস্টিক (খ) হাইপোন্যাস্টিক (গ) সিসমোন্যাস্টিক (ঘ) কেমোন্যাস্টিক।
✔ উত্তর: (গ) সিসমোন্যাস্টিক চলন।
🔷 27. উদ্ভিদে রসস্ফীতিজনিত চলন দেখা যায়—
(ক) ট্যাকটিক (খ) ন্যাস্টিক (গ) ট্রপিক (ঘ) কোনোটিই নয়।
✔ উত্তর: (খ) ন্যাস্টিক।
🔷 28. জুঁই ফুলের পাপড়ি রাতে প্রস্ফুটিত হয়—এটি হল—
(ক) ফোটোন্যাস্টিক (খ) কেমোন্যাস্টিক (গ) থার্মোন্যাস্টিক (ঘ) সিসমোন্যাস্টিক।
✔ উত্তর: (ক) ফোটোন্যাস্টিক চলন।
🔷 29. কিছু ফুল সূর্যোদয়ে ফোটে ও সূর্যাস্তে বন্ধ হয়—এটি হল—
(ক) ফোটোন্যাস্টি (খ) সিসমোন্যাস্টি (গ) কেমোন্যাস্টি (ঘ) থার্মোন্যাস্টি।
✔ উত্তর: (ক) ফোটোন্যাস্টি।
🔷 30. আমরুলের পাতায় যে চলন দেখা যায়—
(ক) ফোটোন্যাস্টি (খ) নিকটিন্যাস্টি (গ) থার্মোন্যাস্টি (ঘ) সিসমোন্যাস্টি।
✔ উত্তর: (খ) নিকটিন্যাস্টি।
🔷 31. স্পর্শ ও ঘর্ষণ প্রভৃতি বাহ্যিক উদ্দীপকে প্রভাবিত উদ্ভিদ অঙ্গের চলন হল—
(ক) থার্মোন্যাস্টি (খ) নিকটিন্যাস্টি (গ) কেমোন্যাস্টি (ঘ) সিসমোন্যাস্টি।
✔ উত্তর: (ঘ) সিসমোন্যাস্টি।
🔷 32. নিদ্রাচলন (Sleeping movement) হল—
(ক) ফোটোন্যাস্টিক (খ) থার্মোন্যাস্টিক (গ) নিকটিন্যাস্টিক (ঘ) সিসমোন্যাস্টিক।
✔ উত্তর: (গ) নিকটিন্যাস্টিক চলন।
🔷 33. ক্রোকাস ও টিউলিপ ফুলের উন্মোচন হল—
(ক) থার্মোন্যাস্টিক চলন (খ) নিকটিন্যাস্টিক চলন (গ) কেমোন্যাস্টিক চলন (ঘ) ফোটোন্যাস্টিক চলন।
✔ উত্তর: (ক) থার্মোন্যাস্টিক চলন।
🔷 34. সূর্যশিশির নামক পতঙ্গভূক উদ্ভিদের পাতার কর্ষিকাগুলি পতঙ্গদেহের সংস্পর্শে আসা মাত্র বেঁকে গিয়ে পতঙ্গকে চেপে ধরে। এটি হলো—
(ক) সিসমোন্যাস্টি (খ) থার্মোন্যাস্টি (গ) ফটোন্যাস্টি (ঘ) কেমোন্যাস্টি।
✔ উত্তরঃ (ঘ) কেমোন্যাস্টি।
🔷 35. ট্রপিক চলন সম্পর্কিত নীচের কোন বক্তব্যটি সঠিক নির্বাচন করো—
(ক) এটি উদ্দীপকের তীব্রতা দ্বারা নিয়ন্ত্রিত (খ) উদ্ভিদ বা উদ্ভিদ অঙ্গের সামগ্রিক স্থান পরিবর্তন হয়
(গ) ভলভক্স নামক শ্যাওলায় এই চলন দেখা যায় (ঘ) এটি উদ্দীপকের গতিপথ দ্বারা নিয়ন্ত্রিত আবিষ্ট বক্রচলন।
✔ উত্তরঃ (ঘ) এটি উদ্দীপকের গতিপথ দ্বারা নিয়ন্ত্রিত আবিষ্ট বক্রচলন।
🔷 36. নিম্নলিখিত কোনটি ট্রপিক চলনের বৈশিষ্ট্য তা নির্বাচন করো—
(ক) উদ্দীপকের গতিপথ দ্বারা নিয়ন্ত্রিত নির্দিষ্ট উদ্ভিদ অঙ্গের আবিষ্ট বক্রচলন
(খ) এটি একধরনের রসস্ফীতিজনিত চলন
(গ) উদ্দীপকের তীব্রতা দ্বারা নিয়ন্ত্রিত উদ্ভিদ অঙ্গের আবিষ্ট বক্রচলন
(ঘ) অক্সিনের প্রভাবে ঘটে না।
✔ উত্তরঃ (ক) উদ্দীপকের গতিপথ দ্বারা নিয়ন্ত্রিত নির্দিষ্ট উদ্ভিদ অঙ্গের আবিষ্ট বক্রচলন।
✍️অতি সংক্ষিপ্ত প্রশ্নগুলির উত্তর দাও(প্রশ্নের মান-১):
🔷 1. প্রাণীর দুটি অভ্যন্তরীণ উদ্দীপকের নাম লেখো।
✔ উত্তর: খিদে ও তৃষ্ণা।
🔷 2. দুটি উদ্ভিদের নাম লেখো যাদের ক্ষেত্রে সংবেদনশীলতার প্রকাশ ভালোভাবে ঘটে।
✔ উত্তর: বনচাঁড়াল ও লজ্জাবতী।
🔷 3. বাহ্যিক উদ্দীপকের দ্বারা নিয়ন্ত্রিত উদ্ভিদ অঙ্গের বক্রচলনকে কী বলে?
✔ উত্তর: আবিষ্ট বক্রচলন।
🔷 4. মাটিতে আবদ্ধ অবস্থায় উদ্ভিদের অঙ্গ চলনকে কী বলে?
✔ উত্তর: বক্রচলন।
🔷 5. প্রকরণ চলন কোন উদ্ভিদে দেখা যায়?
✔ উত্তর: বনচাঁড়াল উদ্ভিদের উপপত্রকে প্রকরণ চলন দেখা যায়।
🔷 6. ইন্ডিয়ান টেলিগ্রাফ উদ্ভিদে কী ধরনের চলন দেখা যায়?
✔ উত্তর: প্রকরণ চলন।
🔷 7. অথবা, ডেসমোডিয়াম গাইর্যান্স উদ্ভিদের উপপত্রকে কোন চলন দেখা যায়?
✔ উত্তর: প্রকরণ চলন।
🔷 8. বনচাঁড়ালের পার্শ্বীয় উপপত্রকের চলন কোন কোষের রসস্ফীতির তারতম্যে ঘটে?
✔ উত্তর: পালভিনাস (একবচন) কোষের রসস্ফীতির তারতম্যে।
🔷 9. কোন বিজ্ঞানী প্রথম প্রমাণ করেন যে, বিনা আঘাতেও উদ্ভিদে উত্তেজনা সৃষ্টি হয়?
✔ উত্তর: বিজ্ঞানী জগদীশচন্দ্র বসু।
🔷 10. বাহ্যিক স্পর্শ, ঠান্ডা ও পটাশিয়াম সায়ানাইডের প্রভাবে উদ্ভিদের সাড়া প্রথম কে আবিষ্কার করেন?
✔ উত্তর: বিজ্ঞানী জগদীশচন্দ্র বসু।
🔷 11. রেজোন্যান্ট রেকর্ডার কী?
✔ উত্তর: বিজ্ঞানী জগদীশচন্দ্র বসু নির্মিত যে যন্ত্রের সাহায্যে উদ্ভিদদেহের প্রতিবর্ত পথ নির্ণয় করা যায়, তাকে রেজোন্যান্ট রেকর্ডার বলে।
🔷 12. প্রোটোপ্লাজমের আবর্তনজনিত গতি বা সারকুলেশন প্রথম কোথায় দেখা যায়?
✔ উত্তর: Tradescantia (ট্রেডেস্কানশিয়া) উদ্ভিদের পাতায়।
🔷 13. উদ্ভিদের ক্ষেত্রে উদ্দীপক-নিয়ন্ত্রিত চলন প্রধানত কয় প্রকার ও কী কী?
✔ উত্তর: তিন প্রকার— ট্যাকটিক চলন, ট্রপিক চলন ও ন্যাস্টিক চলন।
🔷 14. শুক্রাণুর চলন কোন প্রকার চলনের অন্তর্গত?
✔ উত্তর: কেমোট্যাকটিক চলন।
🔷 15. ট্যাকটিক চলন দেখা যায়— এমন দুটি উদ্ভিদের নাম লেখো।
✔ উত্তর: Chlamydomonas (ক্ল্যামাইডোমোনাস) ও Volvox (ভলভক্স)।
🔷 16. ফার্ন উদ্ভিদের শুক্রাণু ম্যালিক অ্যাসিডের প্রভাবে ডিম্বাণুর দিকে অগ্রসর হয়— এটি কোন প্রকার সাড়া?
✔ উত্তর: কেমোট্যাকটিক চলন।
🔷 17. জলস্রোতের অভিমুখে উদ্ভিদের সামগ্রিক চলনকে কী বলে?
✔ উত্তর: হাইড্রোট্যাকটিক চলন।
🔷 18. গাছের কাণ্ডের আলোর দিকে অগ্রসর হওয়া কোন চলনের উদাহরণ?
✔ উত্তর: ফোটোট্রপিক চলন।
🔷 19. উদ্ভিদের পাতায় কোন প্রকার চলন দেখা যায়?
✔ উত্তর: ন্যাস্টিক চলন।
🔷 20. অভিকর্ষপ্রতিকূল বা নেগেটিভ জিওট্রপিক চলন কোন অঙ্গে দেখা যায়?
✔ উত্তর: কাণ্ডে।
🔷 21. উদ্ভিদের পার্শ্বীয় মূল ও পার্শ্বীয় শাখা অভিকর্ষের গতিপথের সঙ্গে সমকোণে বৃদ্ধি পায়— এটি কী ধরনের চলন?
✔ উত্তর: তির্যক অভিকর্ষবর্তী চলন।
🔷 22. মূল মাটির মধ্যে জলের উৎসের দিকে বাড়তে থাকে— এটি কী ধরনের চলন?
✔ উত্তর: জল অনুকূলবর্তী চলন (হাইড্রোট্রপি)।
🔷 23. আলোর তীব্রতার প্রভাবে যে চলন ঘটে তাকে কী বলে?
✔ উত্তর: ন্যাস্টিক চলন।
🔷 24. কৃষ্ণচূড়া, শিরীষ বা তেঁতুল পাতার পত্রক উজ্জ্বল আলোতে খুলে যায় এবং কম আলোতে বন্ধ হয়— এটি কী প্রকার চলন?
✔ উত্তর: ফোটোন্যাস্টি।
🔷 25. পরিবেশের বা বাহ্যিক উত্তেজনায় জীবের সাড়া দেওয়ার ধর্মকে কী বলে?
✔ উত্তর: উত্তেজিতা।
🔷 26. পরিবেশের যে অবস্থাগত পার্থক্য জীবদেহে প্রতিক্রিয়ার সৃষ্টি করে, তাকে কী বলে?
✔ উত্তর: উদ্দীপক।
🔷 27. উদ্দীপক কয় প্রকার ও কী কী?
✔ উত্তর: উদ্দীপক দুই প্রকার—
বাহ্যিক উদ্দীপক ও অভ্যন্তরীণ উদ্দীপক।
🔷 28. একটি অভ্যন্তরীণ উদ্দীপকের নাম লেখো।
✔ উত্তর: কোষে জলের ঘাটতি।
🔷 29. বাহ্যিক উদ্দীপকের একটি উদাহরণ দাও।
✔ উত্তর: আলো।
🔷 30. লেগুমিনাস উদ্ভিদের পাতায় কোন তাপব্যাপ্তি-নির্ভর চলন দেখা যায়?
✔ উত্তর: থার্মোন্যাস্টিক চলন।
🔷 31. Mimosa pudica (লজ্জাবতী)-তে কী প্রকার চলন লক্ষ্য করা যায়?
✔ উত্তর: সিসমোন্যাস্টিক চলন।
অথবা,
🔷 লজ্জাবতীর পাতা ছুঁলে পাতাগুলি সঙ্গে সঙ্গে মুড়ে যায়—এটি কোন চলন?
✔ উত্তর: সিসমোন্যাস্টিক চলন।
🔷 32. কেমোন্যাস্টিক চলনের একটি উদাহরণ দাও।
✔ উত্তর: সূর্যশিশির উদ্ভিদে পতঙ্গের সংস্পর্শে এলে কর্ষিকা বেঁকে গিয়ে পাতাটি বন্ধ হয়ে যাওয়া—এটি কেমোন্যাস্টিক চলনের উদাহরণ।
🔷 33. বনচাঁড়ালের পার্শ্বীয় উপপত্রকে সতত চলনের কারণ কী?
✔ উত্তর: পতঙ্গ ধরার জন্য।
✍️সংক্ষিপ্ত প্রশ্নগুলির উত্তর দাও(প্রশ্নের মান-২):
🔷1. চলন ছাড়া গমন কেন সম্ভব নয়?
উত্তর: জীবের চলন মানে হলো তার অঙ্গপ্রত্যঙ্গের স্থান পরিবর্তন, যেখানে সমগ্র দেহের স্থানান্তর প্রয়োজন হয় না। অপরদিকে, গমন বলতে বোঝায় পুরো দেহের স্থানান্তর। গমনের জন্য অঙ্গপ্রত্যঙ্গের চলনের প্রয়োজন হয়। তাই চলন ছাড়া গমন সম্ভব নয়।
🔷2. সিসমোন্যাস্টিক চলন কী?
উত্তর: স্পর্শ বা আঘাতজনিত বাহ্যিক উদ্দীপনার তীব্রতার কারণে উদ্ভিদের যে চলন ঘটে, তাকে সিসমোন্যাস্টিক চলন বলা হয়। উদাহরণ: লজ্জাবতী গাছের পাতা স্পর্শ করলে তা মুড়ে যায়।
🔷3. কেমোন্যাস্টিক চলন কী?
উত্তর: উদ্ভিদের অঙ্গপ্রত্যঙ্গ যদি রাসায়নিক উদ্দীপনার কারণে নির্দিষ্টভাবে সঞ্চালিত হয়, তবে তাকে কেমোন্যাস্টিক চলন বলে। উদাহরণ: সূর্যশিশির উদ্ভিদের পত্ররোম পোকামাকড়ের উপস্থিতিতে রাসায়নিক উদ্দীপনার কারণে সঞ্চালিত হয়।
🔷4. প্রাণীদের গমনের দুটি প্রধান উদ্দেশ্য কী?
উত্তর:
প্রথমত, খাদ্য সংগ্রহের জন্য প্রাণীরা গমন করে।
দ্বিতীয়ত, আশ্রয়ের সন্ধান বা নিরাপত্তা নিশ্চিত করার জন্য প্রাণীরা স্থান পরিবর্তন করে।
🔷5. ন্যাস্টিক চলন কী?
উত্তর: উদ্ভিদের অঙ্গপ্রত্যঙ্গের যে চলন বাহ্যিক উদ্দীপনার তীব্রতার ওপর নির্ভর করে ঘটে, তাকে ন্যাস্টিক চলন বলা হয়।
🔷6. ট্রপিক চলন বা দিকনির্দেশিত চলন কী?
উত্তর: যে চলন বাহ্যিক উদ্দীপনার উৎসের দিক বা গতিপথ অনুযায়ী ঘটে, তাকে ট্রপিক বা দিকনির্দেশিত চলন বলে।
🔷7. চলন বা সঞ্চালন বলতে কী বোঝায়?
উত্তর: জীবের অঙ্গপ্রত্যঙ্গ বা দেহের অংশের এমন সঞ্চালন, যা স্বতঃস্ফূর্তভাবে বা কোনো বাহ্যিক উদ্দীপনার প্রভাবে ঘটে, তাকে চলন বা সঞ্চালন বলা হয়।
🔷8. ট্যাকটিক চলন কী? উদাহরণ দাও।
উত্তর: উদ্ভিদের কোনো অংশ বা সমগ্র দেহ যদি বহিরাগত উদ্দীপনার কারণে এক নির্দিষ্ট পথে সঞ্চালিত হয়, তবে তাকে ট্যাকটিক চলন বলা হয়। উদাহরণ: ফার্ন উদ্ভিদের শুক্রাণু ম্যালিক অ্যাসিডের আকর্ষণে ডিম্বাণুর দিকে অগ্রসর হয়।
🔷9. ট্যাকটিক চলন এবং ন্যাস্টিক চলনের মধ্যে পার্থক্য কী?
উত্তর:
প্রথমত, ট্যাকটিক চলন উদ্ভিদের এক ধরনের সামগ্রিক চলন বা গমন হিসেবে ঘটলেও, ন্যাস্টিক চলন হলো উদ্ভিদের বক্রচলন।
দ্বিতীয়ত, ট্যাকটিক চলন উদ্দীপকের গতিপথ বা তীব্রতার প্রভাবে ঘটে, তবে ন্যাস্টিক চলন শুধুমাত্র উদ্দীপকের তীব্রতা এবং স্থায়িত্বের প্রভাবে নিয়ন্ত্রিত হয়।
🔷10. ট্রপিক চলন এবং ন্যাস্টিক চলনের মধ্যে দুটি পার্থক্য কী?
উত্তর:
প্রথমত, ট্রপিক চলন বাহ্যিক উদ্দীপকের উৎস বা গতিপথের প্রভাবে পরিচালিত হয়, তবে ন্যাস্টিক চলন শুধুমাত্র উদ্দীপকের তীব্রতা দ্বারা প্রভাবিত হয়।
দ্বিতীয়ত, ট্রপিক চলন সাধারণত হরমোনের মাধ্যমে নিয়ন্ত্রিত হয়, কিন্তু ন্যাস্টিক চলনে কোনো প্রকার হরমোনের ভূমিকা থাকে না।
🔷 11. সংবেদনশীলতা বলতে কী বোঝো? উদাহরণ দাও।
👉 উত্তর:
পরিবেশের বা বাহ্যিক ও অভ্যন্তরীণ উদ্দীপকের প্রভাবে জীবদেহে যে প্রতিক্রিয়া সৃষ্টি হয়, তাকে সংবেদনশীলতা বলে। এটি জীবের একটি মৌলিক ধর্ম, যার ফলে জীব উদ্দীপক অনুভব করতে পারে। যেমন—লজ্জাবতী গাছ স্পর্শ করলে তার পাতা মুড়ে যায়।
🔷 12. উদ্দীপক ও উদ্দীপনা কাকে বলে? উদাহরণ দাও।
👉 উত্তর:
পরিবেশের যে কোনো পরিবর্তন যা জীবদেহে প্রতিক্রিয়া সৃষ্টি করে, তাকে উদ্দীপক বলে। উদ্দীপকের প্রভাবে জীবদেহে যে প্রতিক্রিয়া বা উত্তেজনা সৃষ্টি হয়, তাকে উদ্দীপনা বলে। যেমন—আলো উদ্দীপক এবং আলোর দিকে কাণ্ডের বেঁকে যাওয়া উদ্দীপনার ফল।
🔷 13. প্রকরণ চলন কাকে বলে? উদাহরণ দাও।
👉 উত্তর:
উদ্দীপকের তীব্রতার পরিবর্তনের ফলে উদ্ভিদের যে চলন ঘটে, তাকে প্রকরণ চলন বলে। এই চলনে উদ্দীপকের দিক গুরুত্বপূর্ণ নয়, কেবল তীব্রতা গুরুত্বপূর্ণ। যেমন—বনচাঁড়াল উদ্ভিদের উপপত্রকের নিয়মিত ওঠানামা প্রকরণ চলনের উদাহরণ।
🔷 14. পজিটিভ ও নেগেটিভ ফোটোট্যাকটিক চলন কাকে বলে? উদাহরণ দাও।
👉 উত্তর:
আলোর দিকে জীবের সামগ্রিক গমনকে পজিটিভ ফোটোট্যাকটিক চলন বলে। আলোর বিপরীত দিকে জীবের সামগ্রিক গমনকে নেগেটিভ ফোটোট্যাকটিক চলন বলে। যেমন—ভলভক্স আলোর দিকে অগ্রসর হয় (পজিটিভ) এবং কিছু জীব আলো এড়িয়ে চলে (নেগেটিভ)।
🔷 15. জিওট্রপিক চলন কাকে বলে? উদাহরণ দাও।
👉 উত্তর:
অভিকর্ষ বলের প্রভাবে উদ্ভিদ অঙ্গের যে আবিষ্ট বক্রচলন ঘটে, তাকে জিওট্রপিক চলন বলে। এই চলন পজিটিভ ও নেগেটিভ—দুই প্রকার হতে পারে। যেমন—মূল মাটির দিকে বাড়ে (পজিটিভ জিওট্রপিক) এবং কাণ্ড উপরের দিকে বাড়ে (নেগেটিভ জিওট্রপিক চলন)।
✍️সংক্ষিপ্ত ব্যাখ্যামূলক প্রশ্নগুলির উত্তর দাও(প্রশ্নের মান-৩):
১. উদ্ভিদের চলনের তিনটি প্রধান প্রকার ও তাদের উদাহরণ উল্লেখ করো।
উত্তরঃ
উদ্ভিদের চলনকে তিন ভাগে ভাগ করা যায়: ট্যাকটিক চলন, ন্যাস্টিক চলন, এবং ট্রপিক চলন।
(১) ট্যাকটিক চলন:
যখন উদ্ভিদ বা তার কোনো অঙ্গ বাহ্যিক উদ্দীপকের প্রভাবে স্থান পরিবর্তন করে, তখন তাকে ট্যাকটিক চলন বলে।
উদাহরণ: শৈবালের কোষ আলোর উৎসের দিকে সরানো।
(২) ন্যাস্টিক চলন:
উদ্দীপকের তীব্রতা অনুযায়ী উদ্ভিদের চলনকে ন্যাস্টিক চলন বলা হয়, যেখানে দিকনির্ভরতা থাকে না।
উদাহরণ: লজ্জাবতী গাছ স্পর্শ করলে পাতা বন্ধ হয়ে যায়।
(৩) ট্রপিক চলন:
উদ্দীপকের উৎসের দিকে উদ্ভিদের চলনকে ট্রপিক চলন বলা হয়।
উদাহরণ: উদ্ভিদের কান্ড আলোর দিকে বৃদ্ধি পায়।
২. ট্রপিক চলন কী? বিভিন্ন প্রকার ট্রপিক চলন উদাহরণসহ ব্যাখ্যা করো।
উত্তরঃ
ট্রপিক চলন হল সেই প্রক্রিয়া, যেখানে উদ্ভিদের কোনো অঙ্গ নির্দিষ্ট উদ্দীপকের উৎস বা দিকের দিকে চলাচল করে। এটি প্রধানত তিন প্রকারের:
(ক) ফোটোট্রপিক চলন:
আলোর উৎসের দিকে উদ্ভিদের অঙ্গের চলনকে ফোটোট্রপিক চলন বলা হয়।
উদাহরণ: উদ্ভিদের কান্ড ও শাখাগুলি সূর্যের আলোর দিকে বৃদ্ধি পায়।
(খ) হাইড্রোট্রপিক চলন:
জলের উৎসের দিকে উদ্ভিদের চলনকে হাইড্রোট্রপিক চলন বলে।
উদাহরণ: উদ্ভিদের মূলের জলের উৎসের দিকে অগ্রসর হওয়া।
(গ) জিওট্রপিক চলন:
মাধ্যাকর্ষণ শক্তির প্রভাবে উদ্ভিদের অঙ্গ পৃথিবীর ভরকেন্দ্রের দিকে চলতে থাকে, এটিকে জিওট্রপিক চলন বলে।
উদাহরণ: উদ্ভিদের মূলের মাটির গভীরে প্রবেশ করা।
<<<<<<<<<<<<🌹সমাপ্ত🌹>>>>>>>>>>>>>>
👉For pdf whatsapp-8250978714
👉Our WhatsApp Channel:লেখাপড়া Online.
👉মাধ্যমিক জীবন বিজ্ঞান সাজেশন-২০২৬

